বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

মাওলানা সাদ ইস্যুর আড়ালে কিছু মানুষ তাবলীগ নিষিদ্ধ করতে চায় কেন?

যে তাবলীগ  নিষিদ্ধ করতে চায়, এবং এই নিষিদ্ধ করার জন্য চেষ্টা করে, তারা আসলে ইসলামেরই ক্ষতি করতে চায়। তাবলীগের এই মেহনত একশ বছরের বেশি সময় আগে শুরু হওয়া এক  মেহনত। তাবলীগের মেহনতের কেন্দ্রস্থল কাকরাইল না দিল্লির  নিজামুদ্দিন। এই মেহনতকে নিষিদ্ধ করার মতো  যদি কোন সমস্যা থাকতো তাহলে ভারত অনেক আগেই বন্ধ করে দিত। বৃটিশরা বন্ধ করতে পারে নাই আর ভারত ও না, করোনা মহামারীর সময় দিল্লির নিজামউদ্দিন এবং মাওলানা সাদ কে নিয়ে বিজেপি অপপ্রচার  চালিয়েছিল এই বলে যে তাবলীগের লোকরা  করোনা ছড়াইতেছে, সেই খারাপ অবস্থা থেকেও আল্লাহ এই মেহনতকে  হেফাজত করছেন। এই মেহনত স্বয়ং আল্লাহতালা চালাইতেছেন, নবীওয়ালা কাজ। 


সারা পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র তাবলীগের ভাইয়েরা  কোন স্বার্থ ছাড়া নিজের খেয়ে নিজের পরে আল্লাহতালার দিকে মানুষকে  দাওয়াত দেয়,কোন ভোট চায় না, টাকা চায় না, মাহফিলে বয়ান করার জন্য লাখ লাখ  টাকা চায় না, তারা এক পয়সাও নেয় না। তাবলীগের আলেমরা বিদেশ থেকে নিজের টাকা খরচ করে প্লেনে করে বাংলাদেশে এসে মানুষকে আল্লাহতালার দিকে দাওয়াত দেয়,আবার আমাদের দেশের তাবলীগের ভাইয়েরা বিদেশে গিয়ে মানুষকে আল্লাহতালার দিকে ডাকে, কোন টাকা পয়সা চায় না, হাদিয়া চায়না,। তারা আখেরাতে সফল হতে চায়,  আল্লাহতালার আজাব থেকে বাঁচতে চায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর পক্ষ থেকে দ্বীনের ব্যাপারে এক জিম্মাদারী ছিল সেই 

জিম্মাদারী আদায়ের জন্য চেষ্টা করে,  মেহনত করে, এবং সমস্ত মানুষ কিভাবে জাহান্নাম থেকে বাঁচাবে সে ব্যাপারে মেহনত করে এবং  সমস্ত মুসলমানের মধ্যে এই এই উপলব্ধি আসে এবং তারাও মেহনত করে এজন্য চেষ্টা করে। 


এখন যারা বাংলাদেশে তাবলীগের মেহনতকে বন্ধ করতে চান, এই মহৎ  মেহনতকে বন্ধ করতে চান, এর দ্বারা লাখ লাখ মানুষের ক্ষতি হবে যে কালেমাটাই জানে না এসব মানুষকে কে কালেমা পড়াবে? ইসলামের ব্যাপারে যে বে খবর কিছুই জানেনা, যে মাসের পর মাস নামাজ পড়ে না, রোজা রাখেনা, আল্লাহর হুকুম পুরা করে না, যেই রিক্সাওয়ালা বস্তিতে থাকে,যে যেনা করে যে সুদ খায়, ঘুষ খায় তার দরজায় গিয়ে কে আল্লাহতালার আল্লাহর কথা বলবে? আল্লাহতালার দিকে দাওয়াত দিবে? এই কাজতো যে হেলিকপ্টারে করে মাহফিলে মাহফিলে গিয়ে ওয়াজ করে সে কখনোই করবে না। এই কাজ সারা পৃথিবী জুড়ে তাবলীগের ভাইয়েরা করে বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে দাওয়াত দেয় প্রতিকূল পরিবেশকে অনুকূল পরিবেশের মধ্যে নিয়ে আসে , আল্লাহ তাদের মেহনতের বরকতে তাদের জান মালের  কোরবানির কারণে এক পরিবর্তন আনতেছেন। 


এখন কেউ যদি বলে যে মেহনতকে নিষিদ্ধ করা হোক বন্ধ করে দেয়া হোক সে আল্লাহ আল্লাহতালার গোস্বার মধ্যে পড়বে। আল্লাহ তার জীবনকে এলোমেলো করে দিবেন তাকে   অপদস্ত করবেন। আল্লাহ যদি কাউকে অপদস্ত করতে চান তাকে ঘরে বসিয়ে অপদস্ত করতে পারেন  ক্ষমতার মধ্যে রেখে অপদস্ত করতে পারেন। এজন্য আমাদের সাবধান হওয়া হওয়া উচিত  মুখ দিয়ে কি বলতেছি আর 

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর যে দ্বীপকে আমেরিকানরা সবচেয়ে বেশি Google করে

গুগল ইয়ার ইন সার্চ রিপোর্ট অনুসারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা এশিয়ার যে দ্বীপাটি সবচেয়ে বেশি Google করেছে, সেই দ্বীপটি হলো বালি। এই বছর আমেরিকান পর্যটকদের দ্বারা গুগলে সবচেয়ে বেশি অনুসন্ধান করা একক ভ্রমনের গন্তব্য ছিল বালি। দ্বীপটি আদিম সমুদ্র  সৈকত এবং প্রাচীন  মন্দিরগুলির জন্য পরিচিত। 


ইন্দোনেশিয়ার হলিডে আইল্যান্ড বালি এই বছরের ওয়ার্ল্ড ট্র্যাভেল অ্যাওয়ার্ডে বিশ্বের সবচেয়ে রোমান্টিক গন্তব্য হিসেবে মালদ্বীপ সহ আট প্রতিযোগীকে ছাড়িয়ে গেছে।//



একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,ইন্দোনেশিয়ার হলিডে দ্বীপ বালি কেপ টাউন, টোকিও এবং হোই আনের পরে বিশ্বের চতুর্থ সস্তা দূরপাল্লার গন্তব্য হিসাবে পরিচিতি  পেয়েছে। 


বালি ইন্দোনেশিয়ার বিখ্যাত ছুটি কাটানোর  দ্বীপ যাকে 'কন্ডে নাস্ট ' ম্যাগাজিনের পাঠকদের দ্বারা এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর দ্বীপ হিসেবে ভোট দেওয়া হয়েছে, পর্যটনের মান উন্নত করার জন্য পতিতাবৃত্তিতে জড়িতদের জন্য কড়াকড়ি করা হয়েছে।  



গুগল ইয়ার ইন সার্চ রিপোর্ট অনুসারে আমেরিকার গ্লেসিয়ার ন্যাশনাল পার্ক দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে,  তারপরে পেরুর মাচু পিচু ১৫ শতকের ইনকা দুর্গ এবং পুয়ের্তো রিকোর সান জুয়ান আছে চতুর্থ স্থানে। 


ইন্দোনেশিয়ার গিলি দ্বীপপুঞ্জও এই বছর গুগল ইয়ার ইন সার্চ রিপোর্ট অনুসারে প্রথম সারিতে আছে।গিলি দ্বীপপুঞ্জ, তিনটি ছোট দ্বীপ, গিলি ট্রাওয়ানগান, গিলি মেনো এবং গিলি এয়ার নিয়ে গঠিত, বালির কাছে লম্বোকের উপকূলে অবস্থিত। এরপর রিপোর্টে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি এবং মিয়ামি।


আজ এই পর্যন্তই!


ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশ এখন ১৫৭ টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে,পাকিস্তানও পেতে চায় বাংলাদেশের ওষুধ

কাঁচামালের আমদানি মূল্যবৃদ্ধি,ডলার সংকট, রাজনৈতিক সংকট ,  শ্রমিক সমস্যা  সহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও এ বছর ওষুধ রপ্তানিতে  কাঙ্ক্ষিত  প্রবৃদ্ধি অর্জন হওয়ায় ওষুধ রপ্তানিকারকরা খুশী। 


বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশীয় চাহিদার ৯৮ শতাংশ মেটানোর পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকা ও ল্যাটিন  আমেরিকাসহ অন্তত ১৫৭ টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এরমধ্যে পাকিস্তানও বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মানসম্পন্ন ওষুধ হওয়ায় এটা সম্ভব হয়েছে। ওষুধের পরিমাণগত ও গুণগত মানের এই উন্নতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম বাড়িয়েছে।


জাতিসংঘের শিক্ষা ও বিজ্ঞানবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো  তাদের প্রকাশিত  এক প্রতিবেদনে বলেছে, বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ।//


স্বাধীনতার আগে দেশে দেশি ওষুধ কোম্পানি ছিল মাত্র দুটি। আর দেশে এখন নিবন্ধন করা ওষুধ কোম্পানি আছে ২৭৪টি। বাংলাদেশে ওষুধশিল্প সমিতি জানিয়েছে, এর মধ্যে ২১৪টি কোম্পানি এখন চালু আছে। ১৯৭২ সালের দিকে ৯০ শতাংশ ওষুধ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হত। আর এখন ৯৮% ওষুধ দেশে উৎপাদিত হয়। 


চলতি বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন বাজার ও বড় রপ্তানি আদেশ পাওয়ায় রপ্তানিতে এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে।


শুধু নভেম্বর মাসেই রপ্তানি হয়েছে ২২ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন ডলার। আগের বছর একই মাসে যা ছিল ১৩ দশমিক ১৪ মিলিয়ন ডলার।//



রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে দেশে ওষুধ রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫২ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়ে ৯২ দশমিক ৫৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।



ওষুধ রপ্তানির সাথে সংশ্লিষ্ট  কর্মকর্তারা  বলেন, দেশে মার্কিন ডলারের সংকট ধীরে ধীরে কমেছে। যার ফলে কাঁচামাল আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলার বিধিতে শিথিলতা আনায় এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে।'


স্থানীয় রপ্তানিকারকদের আন্তর্জাতিক বিপণন দলগুলো রপ্তানি বাড়াতে কাজ করছে। ওষুধ কোম্পানিগুলো এখন রপ্তানি বাড়াতে নতুন নতুন গন্তব্য খুঁজতে আগ্রহী।'

শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মিয়ানমারের মতো বড় আমদানিকারকরা এখন আবার আগের মতো  অর্ডার দেওয়া শুরু করেছে।'

ধারণা করা হচ্ছে আগামী দিনগুলোতে রপ্তানি আরও বাড়বে।


প্রায় সব শীর্ষস্থানীয় ওষুধ রপ্তানিকারক কোম্পানিগুলো  বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাড়াতে বিদেশি ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন পাওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। 


ওষুধ শিল্পেও কিছু সমস্যা আছে। ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নে উৎপাদন খরচ বাড়লেও ওষুধ উৎপাদনকারীরা তাদের পণ্যের দাম বাড়াতে পারেনি।'মার্কিন ডলারের উচ্চমূল্য ও কাঁচামাল আমদানি ব্যয় বাড়ায় দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলো রপ্তানি বাড়ালেও লাভের পরিমান  কমে যাচ্ছে। 


আজ এই পর্যন্তই!


ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের জনগণ ভারতের জনগণ এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ। ভারতের এই অসামান্য  সহযোগিতা এইজন্য না যে  ভারত বাংলাদেশের মানুষদেরকে খুব ভালোবাসে, তাদের  ব্যথা-বেদনায়, কষ্টে তাদের  মানসিক পীড়া দেয়। আসলে বাংলাদেশকে সাহায্য করে সীমাহীন লাভ হয়েছে ভারতের, তার মধ্যে প্রধান লাভ হলো পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করে দুর্বল করে দিতে পেরেছে,ভারতের পূর্ব  সীমান্ত থেকে কোন আক্রমণের হুমকি বন্ধ হয়ে গেছে,পুর্ব সীমান্তে  চীন ও পশ্চিম পাকিস্তান মিলে কিছু ঘটানোর পরিকল্পনা চিরতরে নসাৎ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার কারনে ভারতের পুর্ব সীমান্ত প্রতিরক্ষায় কিছুই করতে হয় না, সেই অর্থ  তারা খরচ  করে  চীন এবং পাকিস্তান সীমান্তের প্রতিরক্ষায়। //

১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হতাহতের সঠিক সংখ্যা কত তা  নিয়ে বিভিন্ন মত পার্থক্য আছে।  সাধারণ হিসেবে  বলা যায় যে যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর  ১,৫০০ এর মত সদস্য প্রান হারান। 

বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক  পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১ হাজার ৬৬১ জন ভারতীয় সৈনিক  মুক্তিযুদ্ধে প্রান  হারান।

১৯৭১ এ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে  মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করেন ভারতীয় সেনারা। ভারতের দাফতরিক হিসাবে মৃত ভারতীয় সেনার সংখ্যা ২ হাজারের কম।

উল্লেখ্য ভারতের প্রায় ২,৫০,০০০ জন সেনা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এদের মধ্যে আহত হন  প্রায় ৩৬০০ - ৪০০০ জন।

আজ এই পর্যন্তই!

ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের প্ল্যান ৩৬৫ কি?

asianetnews.com সম্প্রতি বাংলাদেশকে নিয়ে তাদের ওয়েবসাইটে একটা নিউজ প্রকাশ করেছে যা এরকম। এই ওয়েব পোর্টাল টা ভারতীয়দের দ্বারা পরিচালিত। description box এ লিংক দেয়া হলো।

ভারত বাংলাদেশের প্রতিটি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সম্প্রতি নয়াদিল্লি প্ল্যান ৩৬৫ ঘোষণা করেছে, যার ফলে বাংলাদেশ এক বছরের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য।

অভ্যুত্থানের আগে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্প দারুণ উচ্চতা ছুঁয়েছিল। বাংলাদেশে অনেক বিদেশি কোম্পানির টেক্সটাইল অর্ডার তৈরি হচ্ছিল। চীনের পর বাংলাদেশ ছিল বিশ্বের বৃহত্তম টেক্সটাইল রপ্তানিকারক দেশ, কিন্তু অভ্যুত্থানের পর সবকিছুই এলোমেলো হয়ে যায়। এখন ভারতের চোখ বাংলাদেশের এই দুর্বল যোগসূত্রের দিকে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিদেশ সফরের সময় বাংলাদেশের রপ্তানি লক্ষ্যবস্তু করা হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই মাস্টারস্ট্রোক বাংলাদেশের জন্য ভূমিকম্পের চেয়ে কম হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের টেক্সটাইল রপ্তানি বন্ধ করতে ভারত দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে। ইউরোপ ও আমেরিকার মতো বড় বাজারে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে দুর্বল করার চেষ্টাও হতে পারে।//

যখন বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তখন এর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত হ্রাস পাবে, এর গুরুতর অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হবে এবং এটি আমদানি বিল পরিশোধ করতে পারবে না। ভবিষ্যদ্বাণী করা হচ্ছে, বাংলাদেশ যদি এ পথে এগোতে থাকে তাহলে এক বছরের মধ্যেই অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়বে।

বাংলাদেশের জনগণের রিজিকের মালিক একমাত্র  আল্লাহতায়াল।  া একমাত্র আল্লাহই  জানেন যে তার বান্দাদেরকে তিনি কিভাবে রিযিক দান করবেন। কোন দেশের হাতে কারো রিযিক না। ১৯৭১ সালে আমাদের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি, ২০২৪ সালে এসে স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরে আমাদের জনসংখ্যা ১৭,১৮ কোটি
।এতদিনে চাষের জমি অনেক কমে গেছে কিন্তু বাংলাদেশের  মানুষ ১৯৭১ এর চেয়ে ভালো আছে, চাষের জমি কমে গেছে জনসংখ্যা দিগুনেরও বেশি  তারপরও এখন  ভালো আছে এই ভালো  থাকার ব্যবস্থা আল্লাহতালাই করে দিয়েছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আসতো পাট রপ্তানি থেকে। জনসংখ্যা বাড়তে থাকলো    আশির দশকে  আমাদের জন্য গার্মেন্টস  এর ব্যবসা চালু করে দিলেন আল্লাহ। কোন কারনে গার্মেন্টস  থেকে বৈদেশিক মুদ্রা ইনকাম বন্ধ হয়ে যায়  তখন আল্লাহ আমাদের জন্য অন্য কোন রাস্তা খুলে দিবেন। এটা উনি করতেই থাকেন মানুষ তাকে ভালোবাসুক আর না বাসুক। তার হুকুম পালন করুক বা না করুক। কিন্তু ওই মানুষরা যদি দ্বীনদার হয়, আল্লাহ তাআলার হুকুমকে পুরা করে,  আল্লাহতালা তাদের জন্য সম্মানের রিজিক দান করবেন এবং কাফের মুশরিকের ষড়যন্ত্র থেকে তাদের দেশ ও জাতিকে হেফাজত করবেন।

আজ এই পর্যন্তই!

ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪

বেক্সিমকো ও তার ভাড়াটে আন্দোলনকারীরা আবার কবে রাস্তা আটকিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করবে?

নবীনগর থেকে চন্দ্রা এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী লোকজন আতংকের মধ্যে থাকে কখন হঠাৎ করে রাস্তা আটকিয়ে দিবে বেক্সিমকো ও তার ভাড়াটে আন্দোলনকারীরা। 


যারা ভাড়াটে লোক এনে আন্দোলন করায় তাদের উদ্দেশ্য ২ টা। তারা ড.ইউনুসের সরকারকে অস্থিতিশীল করে সাধারণ জনগণের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করতে চায় আর সেইসাথে বাংলাদেশের গার্মেন্টসের এর কাজ পার্শ্ববর্তী দেশে বা অন্যকোথাও চলে যাক এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হোক। আমাদের গার্মেন্টসের শত্রুরা বসে নেই তারা আমাদের গার্মেন্টস সেক্টরের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দেখিয়ে কাজ তাদের নিজেদের দেশে নিয়ে যাচ্ছে। এইজন্য ভাড়াটে শ্রমিকদের পিছনে ২,৪ লক্ষ টাকা ব্যয় করে মিলিয়ন ডলার এর কাজ যদি পাওয়া যায় ক্ষতি কি? তারা চেষ্টা করতেছে আন্দোলনটাকে কিভাবে জিয়িয়ে রাখা যায়।  ইতিমধ্যেই অনেক কাজ বাংলাদেশ থেকে ভারত,পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনামে চলে গেছে। এর প্রতিক্রিয়া হয়তো ৫-৬ মাস পরে বুঝা যাবে। অনেক গার্মেন্টস শ্রমিক চাকরি হারাবে। //


ইপিজেড বা তার আশেপাশে  যারা অনেক বছর যাবৎ কাজ করেন অর্থাৎ ৫,১০,১৫ বছর যাবৎ তারা অবশ্যই দেখে থাকবেন   গার্মেন্টস শ্রমিকেরা যত আন্দোলন করেছে  এক দুই ঘণ্টা বা সর্বোচ্চ আধাবেলার বেশি হয় নাই। কিন্তু  শেখ হাসিনার পতনের পরে বাইপাইল থেকে জিরানী এই রাস্তাটুকু তে যে  আন্দোলন হয়েছে তা কখনো ৬০,৭২ ঘন্টা থেকে শুরু করে এক সপ্তাহ ধরে চলেছে। গত মাসে বেক্সিমকোর শ্রমিকরা এক সপ্তাহের বেশি সময় রাস্তায় ছিল। এবং আন্দোলন দিনে রাতে চলেছে। আসলে আন্দোলন এখন আর শুধু গার্মেন্টস শ্রমিকেরাই করে না, অনেক ভাড়াটে মানুষ এসে এই আন্দোলনে যুক্ত হয় তাদের সংখ্যা ৮০% এর বেশি। আন্দোলন ইপিজেড এলাকার আশেপাশে একটা ব্যবসায় পরিনত হয়েছে। মাত্র ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় ভাড়াটে আন্দোলনকারি পাওয়া যায়। সাথে লাঞ্চ দিলে আরও খুশি।ছবি তুলে রাখলে দেখতে পাওয়া যাবে কিছু একই চেহারার মানুষ কখনো ইপিজেড এ আবার কখনো বেক্সিমকোতে বা বাইপাইলে গিয়ে  আন্দোলন এ শরীক হয়। এরাই রাস্তা গরম করে রাখে,রাস্তা আটকায়, মানুষের চলাচল আটকে দেয়,  রাস্তার মাঝের লোহার রেলিং ভেঙে রাস্তায় এনে রাস্তা আটকিয়ে রাখে, আর সুযোগ বুঝে সেগুলো আবার ভাংগারিতে নিয়ে বিক্রি করে, শুধু টাকা কামাইয়ের ধান্ধা। এমনকি সেনাবাহিনী এরকম কিছু  ভাড়াটি আন্দোলনকারীদেরকে কয়েকবার গ্রেফতার করেছে, যাদের গলায় ভুয়া আইডি কার্ড ঝুলানো থাকে,যারা সাবেক ছাত্র নেতা,  যাদের উদ্দেশ্য ড.ইউনুসের সরকারকে ব্যর্থ করা। এবং আবার ফ্যাসিস্ট সরকার কায়েম করা।


  

 যখন রাস্তা আটকিয়ে বেক্সিমকোর শ্রমিক এবং  ভাড়াটে আন্দোলনকারীরা একসাথে   আন্দোলন করে তখন রাস্তার দুইপাশে হাজার হাজার গাড়ি আটকে যায়  লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোগান্তি হয়,কিন্তু আন্দোলনকারীদের এ-ব্যাপারে কোন মাথাব্যথা হয় না,দয়া হয় না,  রাস্তাখুলে দেয় না এইভাবে কখনো কখনো এক সপ্তাহ চলে যায়। কাচামাল গাড়ীতে বসেই নষ্ট হয়। উত্তর অঞ্চলে যাওয়ার প্রধান সড়ক এই নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়ক।  যারা ইপিজেড এ চাকরি করেন তাদের কারো কারো ৫-৭ কি.মি হেটে বাসায় এবং ফ্যাক্টরিতে যাওয়া আসা করতে হয়। //


বেক্সিমকোর শ্রমিক এবং তাদের  ভাড়াটে আন্দোলন ভাড়াটে আন্দোলনকারীদের মধ্যে হিংসাটা অনেক বেশি, অন্যের ভালো তারা দেখতে পারে না। বেক্সিমকোতে সমস্যা আছে  কিন্তু আশেপাশের যেই গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলো ভালো ভাবে চলছে বেক্সিমকোর শ্রমিকরা সেইসব ফ্যাক্টরিতে গিয়ে হুমকি দিয়ে ফ্যাক্টরি বন্ধ করায় এবং তখন ঐসব ফ্যাক্টরির মালিকেরা গার্মেন্টস ছুটি দিতে বাধ্য হয়। সেই ফ্যাক্টরিগুলো হল KAC,Norban,Cap ফ্যাক্টরি, ড.ইউনুসের গ্রামীন ইত্যাদি। গতমাসে এক ফ্যাক্টরিতে গিয়ে বেক্সিমকোর শ্রমিকরা গিয়ে চড়াও হয়,ফ্যাক্টরি বন্ধ করতে দেরী হওয়ায় আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এইটা একটা হিংসাত্মক কাজ, মানে আমি খারাপ আছি তুই ভালো থাকবি ক্যান। 



এজন্য আমরা চাই সাধারণ মানুষের ভোগান্তি না হোক। মানুষ সারাদিন কাজ করার পরে স্বাভাবিক ভাবে ঘরে ফিরে যেতে পারে। সরকার এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবে, ভাড়াটে আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করে গার্মেন্টস শিল্পকে রক্ষা করবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে। 


আজ এই পর্যন্তই!


ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

সার্জিক্যাল স্ট্রাইক  কি? কেন করা হয় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক?

ইদানীং সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে  কিছু কথা শোনা যাচ্ছে। কি সেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক? 


সার্জিক্যাল স্ট্রাইক (Surgical strike) বা সুনির্দিষ্ট হামলা হল, এক ধরনের যুদ্ধশৈলী,এক ধরনের সামরিক আক্রমণ। যেই আক্রমণ  শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট  সামরিক লক্ষ্যবস্তুকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, যা আশেপাশের অসামরিক কাঠামো, যানবাহন, ভবন, বা সাধারণ জনসাধারণের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর  ন্যূনতম  ক্ষতি সাধন  ছাড়াই করা হয়। অর্থাৎ আশেপাশের এলাকা এবং বেসামরিক লোকদের ক্ষতি না করে লক্ষ্যবস্তু নির্মূল করাই লক্ষ্য থাকে। 


সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে খুব অল্প সময়ে, অত্যন্ত দ্রুত গতিতে শত্রুদের গোপন আস্তানায় বা দুর্ভেদ্য ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয় । হামলা চালিয়ে শত্রুদের ঘাঁটিল গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর সেনাবাহিনী আর ওই এলাকায় মোতায়েন থাকে না বা ওই এলাকা দখল করে না। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালিয়ে শত্রুদের আটক বা গ্রেপ্তারও করা হয় না। হামলা চালিয়ে শত্রুর  ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।


কোনো দেশের সেনাবাহিনীই ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ নামক হামলার ব্যাপারে কোনো পূর্ব ঘোষণা দেয়  না। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে’র মুল থিম হলো," নিশানাকে নির্ভুলভাবে বেছে নাও"। ‘//


লক্ষ্য হলো লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়ে নিজেদের কোনো ক্ষতি ছাড়াই ফিরে আসা। এবং দলের প্রত্যেক সদস্যদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব থাকে, থাকে সীমিত অস্ত্রশস্ত্র। ।’


সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এর বড় উদাহরণ হল পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন নেভি সিলের অপারেশনের মাধ্যমে রাতের বেলা  ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করা। 


২০১৬ সালের ১৮ ই সেপ্টেম্বর ভারতের জম্মু এবং কাশ্মীর এর উরি এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সেনা ঘাটিতে একটি  হামলা সংঘটিত হয়। এই আক্রমণে ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্রমণ চালায় ৪ জনের একটি দল। এটি উরি জঙ্গি হামলা নামে পরিচিত হয়। এই হামলায় ভারত-এর ১৯ জন সৈনিকের মৃত্যু হয়,ওই হামলায়  ৪ হামলাকারীও নিহত হয়। 


উরি হামলার পর ভারত, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায়। 


আজ এই পর্যন্তই!


ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।